পোস্টগুলি

2026 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

The Final Call (মদের সাহায্য)

ছবি
নন্দলাল বর্মনের লেখা গান Title: The Final Call (মদের সাহায্য)  গানের লিরিক্স  Genre: Melodic Emo Rap,  Tempo: Mid-tempo / 90 BPM (Intro - Slow, atmospheric beat)   Yeah... We all know the truth. Milk is better than wine. কিন্তু সত্যিটা কি এতই সহজ? Listen... (Verse 1)   Yeah, check the mic, it's a reality check, Society rules, breathing down my neck. সবাই বলে দুধ ভালো, মদ নাকি বিষ, But when the night falls, তুই শান্তি কোথায় দিস? Milk is better than wine, facts on the table, But to face this raw pain, bro, I am not able. চারিদিকে শুধু দেখি "মুখোশধারী সমাজ", I take a sip, ভুলে যাই সব কাজ। (Chorus - High Energy & Melodic)   I did not commit suicide, I just take the drink, গ্লাসের তলানিতে ডুবে I overthink! একদিন তো মরতেই হবে, that's the ultimate truth, নেশার ধোঁয়ায় হারিয়ে যায় my beautiful youth. Except I take the drink, আমি মদের সাহায্য নিই, পিতা হু গম ভুলানে কো, ধোঁয়াসাতে তোকে ছুঁই। That's all, that's all, this is my final call! (Verse 2 - Fast flow ...

প্রয়োজনের চেয়ে বেশি

ছবি
নন্দলাল বর্মনের কবিতা সমগ্র প্রয়োজনের চেয়ে বেশি - নন্দলাল বর্মন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কথা বলা ভুল, কথার ওজন কমে, দিতে হয় মাশুল। না বুঝে উজাড় করে সব কথা বললে, আক্ষেপ বাড়ে শুধু দিন শেষে চললে। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি দিলে ভালোবাসা, মূল্য বোঝে না কেউ, বাড়ে শুধু হতাশা। অন্ধের মতো যদি করো কারো পূজা, অবহেলা এসে শেষে দেয় ঠিকই সাজা। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বিশ্বাস আর ভরসা, ভুল মানুষের কাছে আনে দুর্দশা। নিজের চেয়েও বেশি বিশ্বাস যাকে করো, তার কাছেই দিন শেষে সবটুকু হারো। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি যা কিছুই হয়, দিন শেষে তা শুধু বেশি কষ্ট বয়। তাই আবেগ আর মায়া রেখো সীমানায়, প্রয়োজনের বেশি হলে মন কেঁদে যায়। রচনাকাল : ০৮/০৮/২০২৬ 

মরীচিকা

ছবি
নন্দলাল বর্মনের কবিতা সমগ্র মরীচিকা - নন্দালাল বর্মন সীমার অধিক বাড়িয়েছি হাত, পেয়েছি শুধু অবহেলা, যাকে ভেবেছি প্রাণের চেয়ে প্রিয়, সে খেলেছে শুধুই খেলা। আকাশ সমান আদর দিয়ে যে মানুষটাকে রেখেছি বুকে, আজ সে-ই অতি অবলীলায় বিষ ঢেলে দেয় আমার সুখে। সহজ লভ্য ভেবেছো আমায়, করেছো হাজার অবমাননা, বেশি গুরুত্ব দিলে মানুষের এই রূপ আগে জানা ছিল না। যতবার আমি হয়েছি নরম, ভেবেছো তুমি আমি যে সস্তা, তোমার অহংকার বাড়াতে বাড়াতে আজ আমার এই অবস্থা। উপেক্ষার এই চাদর সরিয়ে এবার আমি ফিরবো আলোয়, নিজের সম্মান বাঁচিয়ে নিয়ে একাই চলবো অনেক ভালোয়। অন্ধ মোহের অবসান হোক, ফিরুক আমার আত্মমর্যাদা, বেশি মূল্যের বাঁধন ছিঁড়ে মুক্ত পাখি আমি এখন একলা। রচনাকাল : ০৮/০৮/২০২৬

অতিরিক্ত চাওয়া পাওয়া

ছবি
“নন্দলাল বর্মনের কবিতা সমগ্র” ‘ অতিরিক্ত ’ - নন্দলাল বর্মন অতিরিক্ত কাউকে কথা বলা মানে, নিজেকেই সস্তা করা অন্য কারো সনে। কথার ওজন কমে, দাম কমে যায়, সব কথা বলে দিলে ঠকতে যে হয়। অতিরিক্ত কাউকে দিলে ভালোবাসা, মূল্য তার কমে যায়, বাড়ে নিরাশা। অকপটে দিয়ে গেলে মনের আকাশ, বিনিময়ে মেলে শুধু শূন্য বাতাস। অতিরিক্ত কাউকে করিলে ভরসা, ভুলগুলো ভেঙে গেলে নামে অমানিশা। অন্ধের মতো যদি করো বিশ্বাস, দিন শেষে বুকে জমে চাপা দীর্ঘশ্বাস। অতিরিক্ত কাউকে করিলে আশা, ধীরে ধীরে ম্লান হয় সব পাওয়া-আশা। প্রত্যাশা যত বাড়ে, বাড়ে তত ক্ষত, মন ভেঙে চুরমার হয় অবিরত। জীবনের এই এক অমোঘ নিয়ম, সীমাটুকু পার হলে কমে যায় দম। আবেগ উজাড় করে যে-ই ভালোবেসেছে, অবশেষে সেই বেশি কষ্ট পেয়েছে। রচনাকাল : ০৬/০৮/২০২৬

মুখোশধারী সমাজ

ছবি
মুখোশধারী সমাজ “নন্দলাল বর্মনের কবিতা সমগ্র” ‘ মুখোশধারী সমাজ ’ - নন্দলাল বর্মন 🌹💐🥀🌺🌷🌸🪷💮🏵️🪻🌻🌼🌹 মায়ের জাতি নারী, তাকে কে বানালো বারাঙ্গনা? ভদ্র সমাজের আড়ালে এ কার নিঠুর বাসনা? সতী-সাধ্বী মায়ের ঘরে জন্ম যাদের অহর্নিশ, তারাই আজ খদ্দের হয়ে ছড়ায় এমন পাপের বিষ! অন্যের স্ত্রীকে সস্তা ভেবে কৌতূহলে ‘বৌদি’ ডাকো, শ্রদ্ধা জানানোর ভান করে মনে নোংরা লোভটি রাখো। সুযোগ পেলেই আদিম পাপের প্রস্তাব দাও অন্ধকারে, ভদ্রতার এই মিথ্যা নাটক রোজই চলে অহংকারে। বুকের ভেতর পশুর বাস, বাইরে সভ্য মানুষের বেশ, ভণ্ডামিতে পূর্ণ এমন সমাজের কি নেই কোনো শেষ? নারীর প্রতি সম্মানহীন, কলুষিত এই মন, আয়নার সামনে দাঁড়াও দেখি, চিনতে পারো কি এখন? নিজের পাপের কালো দাগ ঢাকতে দেখাও ছল, নারীর গায়েই ছিটিয়ে দাও অপবাদের জল। যাদের তোমরা লালসা দিয়ে নামিয়েছো আজ পথে, সমাজ তাদের ঘৃণাই করে, তোমরা চড়ো রথে! ভেবে দেখো হে ভণ্ড সাধু, এ কেমন বিচার নীতি? মুখে তোমাদের নারীর ভক্তি, অন্তরে দুর্নীতি! এই মুখোশটা খসে পড়বে, জবাব দেবে কবে? মানুষ রূপে পশুর এমন বিনাশ ঠিকই হবে। রচনাকাল : ০৫/০৮/২০২৬

আর কিছু যায় আসে না

ছবি
নন্দলাল বর্মনের কবিতা সমগ্র “আর কিছু যায় আসে না” - নন্দলাল বর্মন আগে কেউ চলে গেলে, থমকে যেত সময়, বুকের ভেতর বাজত যেন ভাঙা স্মৃতির লয়। অশ্রুগুলো বাঁধ মানত না, মানত না সান্ত্বনা, এখন কেউ ছেড়ে গেলে আর কিছু যায় আসে না। অভ্যাসেরই দাস হয়ে আজ শিখে গেছি একা চলা, বন্ধুর এই পথগুলোতে নিজের সাথেই কথা বলা। অপেক্ষার প্রহর গুনে রাত আর তো কাটে না, এখন কেউ ছেড়ে গেলে আর কিছু যায় আসে না। শুকনো পাতার মতো যখন ঝরে পড়ে মিথ্যে মায়া, আবছা হয়ে মিলিয়ে যায় অতি চেনা মুখের ছায়া। পিছু ডাকার বৃথা চেষ্টা এই মন আর করে না, এখন কেউ ছেড়ে গেলে আর কিছু যায় আসে না। আগে কেউ চলে গেলে, ভীষণ রকম কষ্ট হতো, বুকের ভেতর পাথর চেপে দিন কাটাতাম পাগলের মতো। নিজের মাঝেই নিজের জগৎ, খুঁজছি নতুন ঠিকানা, আর এখন কেউ ছেড়ে গেলে, সত্যি কিছু যায় আসে না। একা থাকার অভ্যেসটা এখন আমার হয়ে গেছে, মিথ্যে কথার মানুষগুলো অনেক পেছনে রয়ে গেছে। কে খোঁজ নিল, কে নিল না— সেই হিসাব আর কষি না, এখন কেউ ছেড়ে গেলে, আর কিছু যায় আসে না। নিজের সাথে নিজের এখন বেশ ভালোই কাটছে বেলা, বন্ধ করেছি আমি অনুভূতির এই লুকোচুরি খেলা। নতুন করে কারোর জন্য মনটা আ...

স্বার্থের পৃথিবী

ছবি
নন্দলাল বর্মনের কবিতা সমগ্র   “ স্বার্থের পৃথিবী ” - নন্দলাল বর্মন   অর্থের অভাবে আজ দেখেছি পৃথিবীর আসল রূপ, চারপাশে চেনা মানুষগুলো হঠাৎ করেই নিশ্চুপ। বাবা-মা, ভাই-বোন কিংবা অর্ধাঙ্গিনী নারী, টাকা নেই বলে আজ সবার কাছেই আমি বড় ভারী। যাদের প্রয়োজনে ছিলাম আমি সবার চেয়ে প্রিয়, আজ বুঝেছি সে ভালোবাসা ছিল শুধুই বায়বীয়। দুর্দিনে আজ যখন আমি বাড়িয়েছি এই দু-হাত, সহযোগিতার বদলে পেয়েছি অবহেলার আঘাত। একটু ভরসার আশায় যখন করেছি আবেদন, ছুতো দেখিয়ে দূরে সরেছে তথাকথিত আপনজন। প্রতিবেশী থেকে শুরু করে রক্তের আত্মীয় যারা, প্রয়োজন ফুরোতেই আজ সকলেই বাঁধনহারা। পুরুষের দাম এ সমাজে মাপে শুধু টাকার নোটে, শূন্য পকেট হলে আর কোনো সম্মান কি জোটে? গুরুত্ব আজ তলানিতে, আমি এক মূল্যহীন প্রাণ, রক্তের বাঁধনও আজ গায় শুধু অর্থের জয়গান। যে পুরুষ এই নির্মম প্রতারণার শিকার হয়েছে নিজে, সেই শুধু বোঝে কত কান্না লুকিয়ে সে রোজ ভিজে। আমি আজ নিঃস্ব, আমি আজ বড় একা, স্বার্থপর এই পৃথিবীতে আপনজনের মিলল না তো দেখা। রচনাকাল : ২৫/০৭/২০২৬  

আমি আজ একা

ছবি
নন্দলাল বর্মনের কবিতা সমগ্র “আমি আজ একা” - নন্দলাল বর্মন আমি আজ বড় একা, শূন্য পকেট, রিক্ত হাত, অর্থের অভাবে আজ নেমেছে জীবনে ঘোর রাত। যেদিকে তাকাই দেখি, স্বার্থের এক অচেনা মেলা, টাকা নেই বলে আজ আপনজনেরও চরম অবহেলা। প্রয়োজনে ছিলাম আমি সবার কাছে বড়ই প্রিয়, তখনো বুঝিনি এই ভালোবাসা কতটা বায়বীয়। প্রয়োজন ফুরোতেই বদলে গেল সবার চেনা মুখ, নিঃস্ব এই পুরুষের বুকেই আজ জমেছে পাহাড়সম দুখ। প্রতিবেশী, আত্মীয়, কিংবা ভালোবাসার মানুষজন, অর্থের মানদণ্ডেই আজ তারা মাপে এই মন। শূন্য পকেট দেখে তারা আজ বহুদূরে সরে যায়, বোঝে না তো কেউ, মানুষটা নীরবে কতটা অসহায়। পুরুষের শূন্য পকেট নাকি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পাপ, এই কথা আজ মর্মে মর্মে দিয়ে যায় নিদারুণ উত্তাপ। গুরুত্ব আজ তলানিতে, নেই কোনো দাম এ সমাজে, প্রতারণার এই তিক্ত স্বাদ, লুকাই মিথ্যে হাসির মাঝে। যে পুরুষ এই নির্মম সত্যের মুখোমুখি হয়েছে একবার, সেই শুধু জানে, এ দুনিয়ায় স্বার্থ ছাড়া কেউ নেই আর। আমি আজ একা, বড় একা, কেবল দীর্ঘশ্বাস সঙ্গী আমার, টাকা ছাড়া এ সমাজে, পুরুষের বেঁচে থাকা যেন এক হাহাকার। রচনাকাল :২৫/৭/২০২৬